Ticker

6/recent/ticker-posts

চরের জমিতে বিপ্লব পোল্ট্রি নয়, পোলিনেট হাউসে চাষ হচ্ছে ‘সোনালী ফসল’ কৃষি কর্মকর্তার পরিদর্শনে কেদার ইউনিয়নে তোলপাড়!

 



চরের জমিতে বিপ্লব পোল্ট্রি নয়, পোলিনেট হাউসে চাষ হচ্ছে ‘সোনালী ফসল’  কৃষি কর্মকর্তার পরিদর্শনে কেদার ইউনিয়নে তোলপাড়! 


​চর অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া চরাঞ্চলে লেগেছে আধুনিক কৃেষির ছোঁয়া! চরের প্রতিকূল আবহাওয়া আর বালুময় মাটিতে যেখানে সাধারণ ফসল ফলানোই কঠিন, সেখানে এবার আধুনিক প্রযুক্তির ‘পোলিনেট হাউস’ ব্যবহার করে বিষমুক্ত ও উচ্চমূল্যের সবজি চারা উৎপাদনে নতুন আলো দেখাচ্ছে চর উন্নয়ন প্রকল্প।

​সম্প্রতি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কেদার ইউনিয়নে চর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত এই পোলিনেট হাউস সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন কেদার ইউনিয়নের সফল ও জনপ্রিয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

​

​পোলিনেট হাউস হলো একটি বিশেষ নেট দিয়ে ঘেরা আধুনিক শেড, যা চরম আবহাওয়া, পোকা-মাকড়, অতিরিক্ত বৃষ্টি ও তীব্র রোদ থেকে ফসল ও চারাকে সুরক্ষা দেয়। এর মাধ্যমে চরের কৃষক কোনো রাসায়নিক বিষ প্রয়োগ ছাড়াই সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব উপায়ে উচ্চ ফলনশীল সবজি ও মানসম্মত চারা উৎপাদন করতে পারছেন।

​

​পরিদর্শনকালে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার মোশাররফ হোসেন পোলিনেট হাউসের চারা উৎপাদন পরিস্থিতি ঘুরিয়ে দেখেন এবং উদ্যমী কৃষকদের সাথে মতবিনিময় করেন। কৃষকদের আধুনিক পরিচর্যার কৌশল, সেচ ব্যবস্থা ও প্রযুক্তিগত বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

​পরিদর্শন শেষে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন:

​"চর অঞ্চলের মানুষের জীবনে ভাগ্যবদলের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে এই চর উন্নয়ন প্রকল্প। পোলিনেট হাউসের মাধ্যমে চরের প্রতিকূল আবহাওয়া মোকাবিলা করে অসময়েও উন্নতমানের সবজি ও চারা উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে। কেদার ইউনিয়নের কৃষকরা এখন আর পিছিয়ে নেই, প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তারা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করছেন।"

​

​স্থানীয় কৃষকরা জানান, আগে চরের বালু আর আবহাওয়ার দরুণ তারা ভালো চারা বা সবজি ফলাতে পারতেন না। কিন্তু পোলিনেট হাউস হওয়ায় এখন কম খরচে, নিরাপদ ও বিষমুক্ত ফসল ফলিয়ে বাজারে চড়া দামে বিক্রি করতে পারছেন। চরের মাটিতে এমন বৈপ্লবিক পরিবর্তন দেখে আশপাশের ইউনিয়নের কৃষকদের মাঝেও তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল!

​সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এখন প্রশংসায় ভাসছেন কেদার ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও চর উন্নয়ন প্রকল্পের এই প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

​চরের কৃষি এখন আর অবহেলিত নয়—প্রযুক্তির ছোঁয়ায় সবুজ বিপ্লবের পথে কেদার ইউনিয়ন!

Post a Comment

0 Comments